ঢাকারবিবার , ৪ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আজ দেশজুড়ে
  4. আজকের সর্বশেষ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি সংবাদ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি-বাকরি
  11. ছড়া-কবিতা
  12. জাতীয়
  13. জীবনযাপন
  14. ঢাকা
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যে কারণে আলোচনায় না’গঞ্জ ৪ আসন

নিজস্ব সংবাদদাতা
জানুয়ারি ৪, ২০২৬ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই শেষে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে। কিন্তু এই ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ৫জন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, রিপাবলিক পাটির মনোনীত মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোট প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল্লাহ আলামিন। যদিও নানা কারণে এই আসনি আলোচিত। তথাপি শষে পর্যন্ত এই ৫ প্রার্থী মধ্যে সবাই কি নির্বাচনে লড়বেন নাকি কেউ কেউ সটকে পড়বেন। এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোচনা। তবে অপেক্ষা করতে হবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। কারণ ওইদিন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২০ জানুয়ারি বিকাল ৫টায় জানা যাবে ভোটের মাঠে এই ৫জনই থাকছেন কি না।
এদিকে জেলাজুড়ে আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন। কারণ ৫টি আসনের মধ্যে এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীর সংখ্যা বেশি। এবং আলোচিত তিন জন এখানে প্রার্থী হয়েছেন। তারা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ও রিপাবলিক পাটির মনোনীত মোহাম্মদ আলী। নানাভাবে রাজনৈতিক মাঠে তারা আলোচিত। এই আসনে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মোহাম্মদ আলী ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর কাছে মাত্র ২১০০ ভোটে হেরে যান শাহ আলম। ফলে ভোটের মাঠে তাদের তিনজনেরই একটা অবস্থান রয়েছে।
নির্বাচনী এলাকার কয়েকজন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিন হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন হয়তো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে সরে দাঁড়াবেন। কারণ তিনি যেই সময়ে সংসদ সদস্য ছিলেন তখন ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে ছিলো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন। এবার সিদ্ধিরগঞ্জকে কেটে সোনারগাঁয়ের সাথে যুক্ত করে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন করা হয়েছে। যেহেতু গিয়াসউদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দা এবং ভোটারও সিদ্ধিরগঞ্জের। সেহেতু ফতুল্লায় হয়তো তিনি সুবিধা করতে পারবেন না। ফলে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনেই নির্বাচন করতে পারেন। আর মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ শাহ আলম শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে লড়াই হবে চতুর্থমূখী। তারা দুইজন বিএনপি ঘরোয়ানার লোক হলেও দুইজনেরই ব্যক্তিগত ভোট ব্যাংক রয়েছে ফতুল্লায়। তবে মাঠে আলোচনা আছে, শেষ পর্যন্ত হয়তো তাদের দুইজনের একজন সমঝোতার ভিত্তিতে সরে দাঁড়াতে পারেন। কারণ তারা দুইজনই একই অঞ্চলের। তাদের দুইজনের মধ্যে যেমন সহমর্মিতা রয়েছে তেমনটি ভালো সম্পর্ক বিদ্ধমান। তাই দুইজনের ভোট ব্যাংক কাজে লাগাতে নানাভাবে সেই সমঝোতা হতে পারে। তখন ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভবনা দ্বিমুখী হয়ে উঠতে পারে এই আসনে। কারণ শাহ আলম অথবা মোহাম্মদ আলী যে-ই প্রার্থী হোক তার সাথেই মূলত লড়াই হবে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর। এমনটাই মনে করছেন এই আসনের রাজনৈতিক নেতাকর্মী।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য।

এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: