ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এবার নতুন করে আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ। নারায়ণগঞ্জের জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ হবে খুব শীঘ্রই। এই পদের জন্য এখন পর্যন্ত তিনজনের নাম খুব জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। এরা হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান এদের যেকোনো একজনকে দেখা যেতে পারে জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে এই সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা হতে পারে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের নাম। এই তালিকায় অনেক আবেদন থাকলেও সবচেয়ে এগিয়ে আছেন তিনজন বিএনপি নেতা। এই তিনজনই নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত এবং পরীক্ষিত। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির একজন ব্যবসায়ী নেতা। ইতিমধ্যে বিজেএমইএ’র সভাপতি ছিলেন। বিগত সময়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে তিনি এবং তার লোকজন জোরালো ভুমিকা পালন করেছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে তাই আলোচনায় এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। এই পদের আরেক দাবিদার জেলা বিএনপির বর্তমান আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। পেশায় একজন শিক্ষাবিদ মামুন মাহমুদ গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অসংখ্য মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। দলীয় নেতা কর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি। আর তাই জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে তিনিও একজন যোগ্য দাবিদার। জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় রয়েছেন নাম এডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ার প্রধান আদালত অঙ্গনে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। সেইসাথে রাজপথের আন্দোলনে তার ছিল গুরুত্বপূর্ণ অবদান। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আওতাধীন সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদটিও তাই তার দখলে চলে গেছে অনায়াসে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচন পর্যন্ত লাগাতার হরতাল অবরোধ কর্মসূচিতে রাজপথে ঝড় তুলেছিলেন আনোয়ার প্রধান। তার নেতৃত্বে একের পর এক মশাল মিছিল ক্ষমতাসীনদের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো। তরুণ প্রজন্মের এই প্রতিনিধি তাই এবার জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সূত্রমতে, ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সমর্থিত প্রার্থী চন্দন শীল বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর অকার্যকর হয়ে পড়ে জেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম। ওই বছরের ১৮ আগস্ট দেশের ৬১টি জেলা পরিষদকে শূণ্য ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তবর্তীকালীন সরকার।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
