নারায়ণগঞ্জে বইতে শুরু করেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বাতাস। চারিদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোর লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা মনির হোসেন খান।
রাজনৈতিক এবং সামাজিক কাজে সদা নিয়োজিত এই নেতা তার কর্মকাণ্ড দিয়ে এলাকাবাসীর মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তাই ১৪ নং ওয়ার্ডের জনগণ তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনির হোসেন খানকে বেছে নিতে চাইছে। বর্ষিয়ান এই নেতার উপরই আস্থা রাখতে চাইছে এই ওয়ার্ডের জনগণ। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৪ নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর যেকোনো সমস্যায় সবার আগে এগিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন খান। রাজনৈতিক সামাজিক কিংবা শিক্ষামূলক যেকোন প্রয়োজনে এলাকাবাসী বিগত সময়ে তাকেই কাছে পেয়েছেন। আর তাই ১৪ নং ওয়ার্ডের জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি সামাজিক কাজের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেও মনির হোসেন খানের রয়েছে বর্ণাঢ্য ইতিহাস। গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথের পরীক্ষিত নেতা বর্ষিয়ান মনির খান। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী এবং পুলিশের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এজন্য পুলিশের দেয়া অসংখ্য মিথ্যা মামলায় আসামি হয়েছেন এবং জেল খেটেছেন বহুবার তবুও স্বৈরাচারের সাথে আপোষ করেননি। এত সবকিছু বিবেচনায় আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে একাধিক প্রার্থী থাকলেও মনির হোসেন খান প্রথম স্থানে অবস্থান করছেন। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারলে পরবর্তী নির্বাচনে মনির হোসেন খানের বিজয়ী হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে মনির হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, বিগত সময়ে যারা নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েছিলেন, তারা ওয়ার্ডের জন্য কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। তারা শুধু নিজেদের ব্যক্তিগত উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়ন বঞ্চিত ১৪ নং ওয়ার্ডের মানুষের কাছে সেইসব সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই, জনগণের জন্য কাজ করতে চাই।
তিনি বলেন, আমার প্রথম কাজ হবে মাদক এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া। আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে ১৪ নং ওয়ার্ড থেকে মাদক এবং সন্ত্রাস নির্মূল করবো ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ মাদ্রাসাসহ সকল দরকার স্থাপনা নির্মাণ এবং সংস্থার করে সাধারণ জনগণের হাতের কাছে সকল সেবা পৌঁছে দেবো। তিনি আরো বলেন, আমি ১৪ নং ওয়ার্ডের সকল মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে আমি এই এলাকার প্রতিটা ঘরে গিয়েছি। প্রতিটা মা-বোনের সাথে কথা বলেছি, এলাকার মুরুব্বীদের সাথে বৈঠক করেছি। সবার কাছ থেকে আমি আশানুরূপ সাড়া পেয়েছি। যে কারণে স্বাধীনতার পর এই প্রথম লক্ষ্মীনারায়ন আখড়া কেন্দ্রে ধানের শীষ বিপুল ভোটে পাস করেছে। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে এলাকাবাসী ধানের শীর্ষে ভোট দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ কাউন্সিলর নির্বাচনেও তারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
