ঢাকাশনিবার , ১১ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আজ দেশজুড়ে
  4. আজকের সর্বশেষ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি সংবাদ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি-বাকরি
  11. ছড়া-কবিতা
  12. জাতীয়
  13. জীবনযাপন
  14. ঢাকা
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবিধান কি ছেলের হাতের মোয়া ?

ড. তৈমূর আলম খন্দকার
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১০:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র যা শুধু মাত্র প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা নয় বরং স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করলেওরাজনৈতিক দূর্ভোগও কাটিয়ে উঠতে পারছে না। তবে এজন্য দেশবাসী কম রক্ত দেয় নাই। ১৯৫২ সনে ভাষা আন্দোলনে শহীদের সংখ্যা নিয়েও অস্বচ্ছতা রয়েছে যা নিরসনের জন্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন বিচারাধীন (রীট পিটিশন নং- ১৬৯৯/২০২৬)। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নির্দ্দারন পূর্বক তালিকাপ্রকাশনা করলেও এক সাগর রক্ত ঝড়িয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। পাক সেনাদের জ্বালাও পোড়াও, অত্যাচার নির্যাতন এবং গনহত্যা যারা স্বচক্ষে না দেখেছে তারা বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারবে না।দুঃখজনক যে, কোন সরকার ঐ গনহত্যাকে বিশ্ব দরবারে এবহড়পরফব হিসেবে প্রমান করার সক্ষমতা দেখাতে পারে নাই। স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করেছে শুধুমাত্র শাসক গোষ্ঠি, পক্ষান্তরে জনগনের দোরগোড়ায় পৌচেছে শাসক গোষ্ঠি সৃষ্ট বৈষম্যের লেলিহান শিখা যা গনমানুষের কপাল পুড়েছে। আওয়ামীলীগের টিকেটে নির্বাচিত পাকিস্তান ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলী ও পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশিক এসেম্বলী সদস্যদের ১৯৭১ ইং সনে ৩রা মার্চ শপথ করিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন যে- “এ দেশে কাহাকেও না খেয়ে মরতে দেয়া হবে না, বড় লোককে আরোও বড় হতে দেওয়া যাবে না”। অথচপশ্চিম পাকিস্তানের ২২ পরিবারের স্থলে স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছে ২২০০ পুজিপতি পরিবার। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনতা লড়েছে বটে, কিন্তু বারংবার পূর্নরত্থান ঘটেছে রাবনের, যা স্মরন করিয়ে দেয় সেই পুরানো প্রবচন- “যে যায় লঙ্কায় (ক্ষমতায়) সেই হয় রাবন”। এক একটি বুলেট পরিনতহয়েছে এক একটি আন্দোলনের টানিং পয়েন্ট। ১৯৯০ সনে ডা. মিলন থেকে ২০২৪ সনে রংপুরের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ সহ শাসকের বুলেট রক্তে রঞ্ছিত হওয়া অসংখ্য জীবন, যাদের অনেকের নাম এই মুহুর্তে আমার স্মরনে আসলেও তা সংক্ষিপ্ত এ নিবন্ধে স্থান সংকুলনের সমস্যা। ১৯৬৯ সনের ২০শে জানুয়ারী আসদুজ্জামান আসাদ, ১৯৮৩ইং সনের ১৪ইং ফেব্রুয়ারী জাফর- জয়নাল-দীপালি- কাঞ্চনের লাশ, ১৯৮৪সনের ২৮ই ফেব্রুয়ারী ফুলবাড়িয়া ছাত্রদের মিছিলে ট্রাকের চাকার নিচে সেলিম-দেলোয়ারের লাশ। তখন এরশাদের উদ্দেশ্যে ফরহাদ মাজহারের কবিতার শিরোনাম ছিল- “ল্যাফটেনেন্ট জেনারেলের ট্রাক” । ১৯৮৭ সনের ১০ই নভেম্বর ২৪ বৎসর বয়সী নূর হোসেন “গনতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক” স্লোগান বুকে ধারন করে বুলেটে করেছিল নিজের জীবন উৎসর্গ। তবে কাংখিতগনতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে কি?
বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করে গণঅভ্যুথান ঘটিয়েছে; যেমন, ১৯৬৯ইং সনে আওয়ামী লীগের ৬ দফা, ন্যাপের ১৪ দফা, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা ব্যাপক জনমত সমর্থন পেয়েছিল, ফলশ্রুতিতে পেয়ে ছিলাম একটি স্বাধীন রাষ্ট্র;যা হলো বাঙ্গালীর মাথা উচু করে দাড়ানোর টানিং পয়েন্ট। র্দীঘদিন পর ১৯৯০ইং সনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দল, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দল, বামপন্থীদের নেতৃত্বে ৫ দল পূনরায় ইস্পাত কঠিন ঐক্য হয়ে স্বৈরাচার এরশাদ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করে। তারপর আর কোন দিন রাজনৈতিক ঐক্য দেখা যায় নাই, যে ভাবে ১৯৬৯ এবং ১৯৯০ইং সনে জাতি ঐক্য বদ্ধ হয়েছিল। জাতীয় ঐক্য মতের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানের অর্ন্তভূক্ত হলেও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ক্ষমতায় আসীন হয়েই সংবিধান থেকে সে অনুচ্ছেদ মুছে ফেলে; তারপর থেকেই নতুন করে শুরু হয় রাজনৈতিক দন্দ। এই দন্দের জন্য মূলত: আওয়ামী নেতৃত্বেই দায়ী।পরবর্তীতেঐক্যবদ্ধ হলেও সে ঐক্য আর ধরে রাখতে পারে নাই। কোন কোন বিষয়ে জাতীয় ঐক্য মতে জন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে না পারলে জনআকাংখ্যা পূরনে জাতি বরাংবার বাধা গ্রস্থ হয়- যার গ্লানি বইতে হয় সাধারন জন সমষ্টিকে। পাশর্বর্তী বন্ধু রাষ্ট্রসহ পৃথিবীর অনেক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই ভিন্নমত থাকাবস্থায়ও জাতীয় দূর্যোগে ইস্যু ভিত্তিক রাজনৈতিক জাতীয় ঐক্যের নজির রয়েছে যা নানাবিধ মত বিরোধের কারনে আমাদের রাষ্ট্রে টেকসই হয় নাই।
২০২৪ এর আন্দোলন ছিল ব্যতিক্রম। বি.এন.পি ১৭ বৎসরের চরম নির্যাতিত একটি রাজনৈতিক দল। তথাপি কোন যুক্তিতে মহা সচিব (বিএনপি) বলেছিলেন যে- “এ আন্দোলনে আমাদের সম্পূক্ততা নেই- এটা ছাত্রদের আন্দোলন” তা বোধগম্য নহে। তবে তিনি কোন কোন সময় অদ্বায়িত্বশীল কথা বলে নিজ দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। ২০১৮ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলার নিজ এলাকায় তিনি নির্বাচিত হতে পারেন নাই, জেলার অন্য আসন থেকে যিনি নির্বাচিত হয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগদেওয়ায় তাকে বহিস্কার করে পরবর্তীতে বিএনপির নির্বাচিত সকল সদস্য সংসদে যোগ দেওয়ার কারনে বলেছেন যে, “সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ভূল ছিল”। ২০২২ সনে মিডিয়াতে বলেছিলেন “বিএনপি শেখ হাসিনা সরকারের অধিনে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে যাবে না, তবে যে কেহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে দাড়াতে পারবে”। তার কথা বিশ্বাস করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে দলের নিবেদিত অনেকেই বিএনপি থেকে বহিস্কার হলেও মহাসচিব আছেন বহাল তবিয়তে। সুবোধ আনুগত্যের (ঙনবফরবহপব) প্রশ্নে তিনি অদ্বিতীয় এবং একারনেই দীর্ঘদিন দল পরিচালনার দায়িত্ব আকড়ে আছেন বৈ কি। বামপন্থী ও ইসলামী দলগুলির ভূমিকা ছিল অত্যান্ত জোড়ালো।মুক্তিযুদ্ধে জামায়েত ইসলামের বির্তকিত ভূমিকা থাকলেও জুলাই ২০২৪ আন্দোলনেতাদের ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান, সেনাপ্রধানের মুখে মিটিং ডাকার বিষয়ে তাদের নামটিই ১নং ক্রমিকে উচ্চারিত হয়েছে। আন্দোলনটি ছিল বৈষম্যের শিকার দেশবাসীর অভিশাপের প্রতিফলন মাত্র। ৫ই আগষ্টের পরপরই লন্ডনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর পুত্র রাজনীতিবিদ রাহুল গান্ধী বলেছিলেন যে- “ঘটনাটি পাকিস্তান ঘটিয়েছে”। জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক রাজনীতি নিয়ন্ত্রনে গোয়েন্দাদের ভূমিকা রাজনীতিবীদদের প্রভাবের চেয়ে অনেক বেশী। বাংলাদেশের অভ্যন্তরিন রাজনীতি ও ঘটনা প্রবাহে ভারতের গোয়েন্দা “র” (জবংবধৎপয ধহফ অহধষুংরং ডরহম) এর ব্যাপক ভূমিকা র্দীর্ঘ দিন শুনে আসছি। কিন্তু পাকিস্তানের আই.এস যে এতো প্রভাবশালী তা রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের পূর্বে আচঁ করতে পারি নাই। আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছিলেন- “ভারতে বলে এসেছি শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় বসাতে হবে”। আরও বলেছিলেন “বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মত”। কথাগুলি একজন গন্ড মূর্খের মত হলেও ভারত যে বাংলাদেশের রাজনীতি, ক্ষমতায়ন, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি সবই নিয়ন্ত্রন করে তা বুঝতে কারো বাকি থাকে না। ফলে পূর্বেও যেমন ভারত তোষননীতি ছিল,এখন কি সেই তোষন থেকে মুক্ত? ঘটনা প্রবাহই এর সত্যতা প্রকাশ করবে।
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের একটি ডাইলগে আন্দোলনের ব্যাপকতা প্রকাশ পেয়েছে;একজন পুুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে একটি ভাইরাল হওয়া দৃশ্য দেখিয়ে বলেছিল যে- “স্যার, একটা গুলিতে একটা মরে, বাকী গুলি তো আর সরে না”। অথচ এতাবড় দল বি.এন.পি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্য্যলয় থেকে বালির ট্রাক আমরা সরাতে পারি নাই। ক্যার্ন্টমেন্টর মঈনুল রোডের বাড়ী থেকে চেয়ারপার্সনেকে (বিএনপি) উচ্ছেদ ঠেকানো যায় নাই। বিগতপ্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী/এমপিদের আত্মঅহংকার এবং বৈষম্যের তীব্রতাই ছিল সরকার পতনের মূল অস্ত্র; সরকার টিকে গেলে ছাত্র নেতাদের ফাসি ঠেকানো কঠিন হতো। তর্ক বিতর্ক যাহাই থাক না কেন সংবিধানের দোহাই দিয়ে তাদের অবমূল্যায়ন করা হবে সত্যের অপলাপ মাত্র।
রক্তের অক্ষরে লেখা সংবিধান শাসক দলের দ্বারা ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে, সময়ের প্রয়োজনে সংশোধন হতে পারে; কারন ইহা কোন স্বর্গীয় বানী নহে, বরং যা মানুষের সৃষ্ট, মানুষ তা সংশোধন, পরিমার্জন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারে; তবে তা হতে হবে জাতির প্রয়োজনে, জনস্বাথের্, নিয়মতান্ত্রীক পদ্ধতিতে- কিন্তু সে সংশোধন যদি হয় ক্ষমতাকে আকড়ে রাখার জন্য, তবে তা হয় বিশ্বাসঘাতকতা। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনরা সংবিধানকে যখন তখন নিজস্বার্থকে ব্যবহার করেছে, কখনো ঢাল হিসেবে বা কখনো অস্ত্র হিসেবে বা কখনো অকার্যকর রেখে। যখন স্বার্থের আঘাত লাগে, যখন স্বার্থ হাসিলের প্রয়োজন হয়, তখনই সংবিধান হয়ে পড়ে ক্ষমতাসীনদের হাতের পুতুল। তখন সংবিধানের চেতনা (ঝঢ়ৎরঃ) বাকরুদ্ধ হয় চাপাবাজদের চাপার জোড়ে। বাঙ্গালী জাতির ঘুম ভাঙ্গে না অতি সহজে, যখন ভাঙ্গে তখনই হয় বিষ্ফোরন। সংবিধান যখন অবরুদ্ধ হয় তখন গনবিষ্ফোরন তথা গনঅভ্যুথান ছাড়া বিকল্প কোন পন্থা থাকে কি?
ছাত্ররা যদি এ আন্দোলন না করতো তবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাযার সম্মানজনক পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না, প্রধানমন্ত্রীকেহয়তো লন্ডনই প্রবাস জীবন বেছে নিতে হতো- ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বাদ হতো সুদূর পরাহত,যিনি নিজেও নির্যাতিত, উল্লেখ্য ১/১১ সরকারের সময় এক সাথেই জেলে ছিলাম, তখন দেখেছি, তিনি রিমান্ডে গিয়েছেন পায়ে হেটে, ফিরেছেন স্টেচারে করে, কারন তার উপর হয়েছিল অমানুষিক শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন)। উল্লেখ করা যেতে পারে, সেনা প্রধানের সন্তান (দরখাস্ত করেও) আরাফাত রহমান কোকোর লাশ ক্যার্ন্টমেন্ট গোরস্তানে দাফন করা যায় নাই।
অন্ধদৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলে প্রথমেই তার হাতের লাঠি ফেলে দেয়। উপকারীর উপকার অস্বীকার করা মানুষের স্বভাবজাত ধর্ম। একজন নেতার শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা থাকা অস্বাভাবিক নহে; কিন্তু তার যে অবদান রয়েছে তা অস্বীকার করা নিজের সাথে নিজের প্রতারনা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের র্শীর্ষ নেতাদের ভূমিকা অস্বীকার করলে ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যা হবে শুধু মাত্রসত্যের অপলাপ নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট হবে আস্থাহীনতার একটি উপকরন।
সংবিধান রক্ষার জন্য স্বৈরাচারের গডফাদার মি: চুপ্পুর হাতে শপথ নিয়েই যদি জনাব তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হতে হয়, তবে বিগত ১৭ বৎসর বি.এন.পি নেতাকর্মীদের পাট ক্ষেতে ঘুমিয়ে, গুলিতে পঙ্গু হয়ে, গুম হয়ে, গায়েবী মামলার আসামী হয়ে রিমান্ড ও কারাবন্দী নির্যাতিত তৃনমূলের নেতা/কর্মীদের এটাই কি ছিল উচিৎ প্রাপ্য? না-কি ক্ষমাই মহত্বের লক্ষন; না-কি আত্মসম্মান দূরে থাক, ক্ষমতায় যাওয়াটাই কি মূল কথা; না-কি রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছুই নাই- বিষয়টি নির্যাতিত নেতাকর্মীরা কোন দৃষ্টিতে বিচার বিশ্লেষন করবে?সংবিধানের দোহাই বাতুলতা মাত্র, ব্যক্তির ইচ্ছায় প্রাধান্য যা ছিল, চলছে এবং চলবে বৈ কি।
বর্তমান রাজনৈতিক হালচালে মনে হয়, সংবিধান যেন “ছেলের হাতে একটি মোয়াখেলে খেলাম, না খেলে পোষা বিড়ালকে দিয়ে দিলাম” !হৃদয়ের রক্তক্ষরন থেকে আর একটি বিপ্লব হবে কি হবে না- তা ভবিষ্যতই নির্দ্দারন করবে; যা হতে পারে অন্ধকারে প্রদীপ জ্বালানোর হাতিয়ার। বৈষম্যবিহীন একটি রাষ্ট্রই জনআকাংখ্যা ও প্রত্যাশা পূরনে একমাত্র সমাধান- যা বাস্তবায়ন এখন সময়ের মূখ্য দাবী।

লেখক: সিনিয়র অ্যাডভোকেট ও কলামিস্ট।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য।

এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: