ঢাকাসোমবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আজ দেশজুড়ে
  4. আজকের সর্বশেষ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি সংবাদ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি-বাকরি
  11. ছড়া-কবিতা
  12. জাতীয়
  13. জীবনযাপন
  14. ঢাকা
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজমেরী ওসমানের সেই অবৈধ অস্ত্রগুলো কি ঝুট নিয়ন্ত্রনে ব্যবহৃত হচ্ছে ?

নিজস্ব সংবাদদাতা
এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ১১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার চাঁদনী হাউজিং এলাকায় একটি গার্মেন্টস-এর ঝুঁট সেক্টর দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই-গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হলেও আসামী গ্রেফতার কিংবা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধাওে পুলিশের ব্যর্থতার পরিচয় ফুটে উঠেছে। উক্ত সংঘর্ষে যুবদলের নেতৃবৃন্দ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র প্রকাশ্যে ব্যবহার করেন এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে চালানো হয় গুলি ও বোমার বিস্ফোরন ঘটানো হয়। ঝুট সেক্টরের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে প্রতিপক্ষের লোকজনের কিছু না হলেও একটি গুলি গিয়ে বিদ্ধ হয় ইমরান নামের এক শিশুর শরীরে এবং আরেকটি গুলি গিয়ে বিদ্ধ হয় রাকিব নামের আরেক যুবকের বুকে।
একাধিক সুত্রে জানা যায় যে, সেদিনের ঘটনায় ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্রগুলো বেশীরভাগই ছিল ওসমান পরিবারের সদস্যদের। আজমেরী ওসমান বলয়ের অন্যতম সদস্য চাদঁনী হাউজিংয়ের পাগলা হামিদের কাছেই রক্ষিত রয়েছে আজমেরী ওসমানের একাধিক অবৈধ অস্ত্র। পাগলা হামিদ নিজে এলাকায় বসবাস করতেই নাকি ৫ আগষ্টের পর সেসকল অবৈধ অস্ত্রগুলো এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবদলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সারজিল আহমেদ অভি তার বাহিনীর মাধ্যমে নিজ হেফাজতে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়,বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে চাদঁনী হাউজিংসহ আশপাশ এলাকাতে যেসকল অবৈধ কর্মকান্ডের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতো পাগলা হামিদ তার পুরোটাই দেখভালের দ্বায়িত্ব নেন সারজিল আহমেদ অভি। আজমেরী ওসমানের ব্যবহৃত সেই সকল অবৈধ অস্ত্রভান্ডারের একাধিক অস্ত্র পাগলা হামিদের কাছ থেকে নিয়ে অভি সেগুলো জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি’র মাধ্যমে কায়েস আহমেদ পল্লবসহ একাধিক ছাত্রদল ও যুবদল নেতাদের কাছে বিতরন করে এমনটাই জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সুত্র। তারা আরও জানান,রনির বডিগার্ড খ্যাত কায়েস আহমেদ পল্লব ও সারজিল আহমেদ অভির কাছে সবসময়ই ২/১টি অবৈধ অস্ত্র তাদের কোমড়ে গোজা থাকে। আর সাথে থাকা সেই অবৈধ অস্ত্রগুলো ঝুট সেক্টর দখলসহ বিভিন্ন অবৈধকাজে ব্যবহার করে থাকে।
এখানে উল্লেখ্য যে, ৫ আগষ্টের পুর্বে সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের পুত্রা ভিকি’র কাছেও বেশ কয়েকটি অবৈধ অস্ত্র ছিল। সাবেক এসপি হারুনের সময়ে ভিকি কিন্তু অবৈধ অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে শামীম ওসমানের সাথে বেয়াই ফয়েজউদ্দিন আহমেদ লাভলু এবং তার ছেলেও কিন্তু নগরীতে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষন করেছিলো তার ভিডিও ফুটেজও বিভিন্ন সামাািজক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সেই অস্ত্রধারী লাভলু এবং ভিকিকে এলাকা হতে নিরাপদে অন্যত্র পালাতে সার্বিক সহযোগিতা করেছিলো জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনির পিতা মোস্তফা কন্ট্রাকটর এবং তার বড়ছেলে মো.রুবেল। যা মাসদাইরসহ আশপাশের প্রতিটি মানুষের মুখে শোনা গিয়েছিলো সেই সময়ে। তবে এ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন তাহলে লাভলু ও তার ছেলের কাছে রক্ষিত সেই অবৈধ অস্ত্রগুলো তার হেফাজতে রয়েছে সেই বিষয়েও জেলা পুলিশের জোর তদন্ত করা উচিত। এদিকে, ঘটনার পর থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম সাড়াশি অভিযান চালাললেও ঘটনার জড়িত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি এমনকি উদ্ধর হয়নি অবৈধ অস্ত্র। একটি আবাসিক জনবহুল এলাকায় ত্রাস সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীদের এখনো গ্রেফতার করতে না পারায় পুলিশের সাড়াশি অভিযান প্রশ্নের মুখে পড়েছে!! চাঁদনী হাউজিং এলাকায় বসবাসরত সাধারন বাসিন্দারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, আসলেই কি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছেন নাকি সবকিছুই হচ্ছে অভিযানের নামে আইওয়াশ?? অপরদিকে, ঝুট সেক্টর দখলকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে পিস্তল উচিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করা সন্ত্রাসীদের এমন কর্মকান্ডে এখনো চাঁদনী হাইজিং এলাকার সাধারন মানুষের মাঝে বিরাজ করছে আতংক। স্থানীয় বাসিন্দারা আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন। সে সাথে ঘটনার সাথে জড়িত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফারের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঝুট দখল নিয়ে গোলাগুলিতে অংশ নেওয়া অবৈধ অস্ত্রাধারী যুবদল নেতাদের খুঁজছে পুলিশ। একাধিক স্থানে তাদের সন্ধানে অভিযানও চালানো হয়েছে। ইউনিফর্ম পোশাকে ও সাদা পোশাকের একাধিক পুলিশ অবৈধ অস্ত্রধারীদের খুঁজে ফতুল্লার মাসদাইর, শাসনগাঁও, কাশিপুর, ধর্মগঞ্জ ও চাঁদনী হাউজিং, প্রেমরোড, ফাঁজিলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার দাবিতে শহর ও শহরতলীতে এনসিপিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ প্রতিবাদ করে আসছে।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য।

এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: