নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন কাশীপুর ইউনিয়নের দুর্র্ধষ সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট রাশেদ এবং রাসেলের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ও দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। সম্প্রতি বাঁশমুলি এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদকসহ ১০জনকে গ্রেফতার করা হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
কাশীপুর বাঁশমুলি এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ও অস্ত্রের রাজত্ব চালিয়ে আসছে রাশেদ ও তার ভাই রাসেল। গত কয়েকদিন আগে যৌথ বাহিনী ওই এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মূল ডিলার রেখে কেবল গডফাদারদের চুনোপুঁটিদের ধরা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, “আমরা যেন এক পরাধীন রাষ্ট্রে বসবাস করছি। সকালে ঘুম ভাঙে মাদক কেনাবেচা দেখে, আবার রাতেও একই দৃশ্য দেখতে হয়। আমরা এই মাদকের আস্তানা চিরতরে উড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানাই। এদিকে জামালের বাড়ির উত্তরে ৬তলা বাড়ি ও দক্ষিণে ৪তলা বাড়ির সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে নুর মসজিদের পশ্চিমে আদর্শ নগর গ্যারেজ অফিসে বসে নিয়ন্ত্রণ করে মাদকের ব্যবস্যা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশেদের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, রাশেদ একটি বিদেশি পিস্তল নিয়ে বসে আছে এবং তার চারপাশে ‘ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। এই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে বেড়েছে। আতঙ্ক আরও এলাকাবাসীর মতে, ফতুল্লার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে কাশীপুরকে সন্ত্রাস ও মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে এই চক্রটি। কাশীপুর ইউনিয়নের যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে যৌথ বাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দাবি, অনতিবিলম্বে দুর্র্ধষ রাশেদ ও রাসেলসহ মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
