২০০০ সালে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১নং গেট এলাকার কৃতি সন্তান সুমন খান। রাজনীতিতে তার নিষ্ঠা, নেতৃত্বগুণ ও সাহসিকতার জন্য অল্প সময়েই তিনি দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পান। প্রথমে ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন, পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার শ্রমিকদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।
রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্যও তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ এবং স্টেশন এলাকায় পথশিশুদের খাবার সরবরাহের মতো কাজের মাধ্যমে “মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত হন সুমন খান।বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও তিনি নিজ উদ্যোগে ত্রাণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি চালিয়ে যান। তার এই নিরলস মানবিক কাজ নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিবিদদের কাছেও প্রশংসিত হয়। এমনকি কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আনার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নাছির হোসেনও তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন ও সম্মান করেন।
পরবর্তীতে সুমন খান ছিনমুল হকার্স সমিতির সভাপতি পদে দায়িত্ব পান। তবে আওয়ামী লীগের আমলে তিনি রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় তাকে মারধর, রক্তাক্ত করা ও অমানবিক আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপি যখন পুনরায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, তখনও সাহসী ও ত্যাগী এই নেতা অবহেলার শিকার। তবুও হাল ছাড়েননি তিনি। দৃঢ় মনোবল নিয়ে আবারও রাজনীতির মাঠে ফিরে এসে বিএনপিকে সংগঠিত ও জনসেবায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সুমন খান।
তিনি বলেন, “অবহেলা বা নির্যাতন আমাকে থামাতে পারবে না। আমি জনগণের জন্য রাজনীতি করি, মানুষের পাশে থাকতে চাই
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
