নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর কল্যান্দী স্ট্যান্ড এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ রাকিব(২৮)-এর স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬) পরিকিয়ার টানে ৮ বছরের শিশু কন্যাকে ফেলে রেখে বন্দর সোনাকান্দা চৌধুরীপাড়া এলাকার মোঃ নূর ইসলামের ছেলে মোঃ সাকিব (৩০) সাথে পালিয়ে গেছে বলে আভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি সাইদ্দারকান্দি গ্রাম বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর কল্যান্দী স্ট্যান্ড এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাকিব -এর সাথে ২০১৬ সালে বন্দর সোনাকান্দা এনায়েত নগর এলাকার মোঃ জামানের মেয়ে সুমি আক্তারের পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় এবং তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে রোজা মনি (৮)। সন্তানকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী বন্দর রুপালী আবাসিক এলাকায় বসবাস করতো। সোমবার সকালে আনুমানিক ১০ ঘটিকায় পরকিয়ার টানে সুমি আক্তার বাসা থেকে স্বামী মোঃ রাকিবের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঘরে রাখা এক লাখ টাকা নিয়ে পরকিয়া প্রেমিক সাকিবের কাছে পালিয়ে যায়।
বন্দর থানায় মোঃ রাকিব লিখিত অভিযোগে জানান, ১) সুমি আক্তার (২০), পিতা মোঃ জামান, স্বামী- মোঃ রাকিব, সাং- সোনাকান্দা এনায়েতনগর । ২) মোঃ সাকিব (৩০), পিতা মোঃ নূর ইসলাম, সাং সোনাকান্দা চৌধুরীপাড়া, থানা- বন্দর, জেলা, নারায়ণগঞ্জ।
উল্লেখিত ১নং বিবাদী আমার বিবাহিতা স্ত্রী এবং ২নং বিবাদী ১নং বিবাদীর পরকীয়া প্রেমিক। ১নং বিবাদীর সাথে বিগত ২০১৬ সালে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। আমাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রোজা মনি (৮) রয়েছে। ১নং বিবাদী ২নং বিবাদীর সাথে অবৈধ পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত হইয়া গত প্রায় ৬ মাস পূর্বে আমার ঘর হইতে কিস্তি হইতে উত্তোলনকৃত নগদ ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা এবং ১ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে ২নং বিবাদীর সাথে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। ২নং বিবাদীর সাথে প্রায় ৬ মাস সংসার করে ১নং বিবাদী গত ১৭/১০/২০২৫ তারিখ আমার কাছে ফেরত আসে এবং রুপালী আবাসিক এলাকা পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যগণ বিচারের মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা করে দেয়। ১নং বিবাদী এই মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করে যে, বিবাদী ভবিষ্যতে যদি পুনরায় ২নং বিবাদীর সাথে পালিয়ে যায় তাহলে কাবিনের কোন টাকা দাবী করতে পারবে না এবং রূপালী আবাসিক এলাকা পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যগণের সম্মুখে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে। ১নং বিবাদী বিচারকদের উক্ত বিচার উপেক্ষা করে অদ্য ইং ২০/১০/২০২৫ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন রূপালী আবাসিক এলাকা সাকিনস্থ আমার বসত বাড়িতে আমি ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালীন সময়ে ১নং বিবাদী ২নং বিবাদীর নির্দেশে আমার ঘরে থাকা ব্যবসায়ীক নগদ ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা নিয়ে ২নং বিবাদীর কাছে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে ১নং বিবাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ২নং বিবাদী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে। ২নং বিবাদী আমাকে এই বলে হুমকি প্রদান করে যে, আমি যদি এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করি তাহলে বিবাদী আমাকে হত্যা করবে। বিবাদীরা আইন অমান্যকারী খারাপ প্রকৃতির লোক। বিবাদীরা যেকোন সময় আমাদের বড় ধরণের ক্ষতিসাধন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছি। এমতাবস্থায় আমি আর কোন উপায় না পেয়ে বিষয়টি আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল। অতএব, হজুরের নিকট আকুল আবেদন উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে জনাবের মর্জি হয়।
এ বিষয়ে বন্দর থানার এস আই তৌহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরাও খুঁজছি আপনারাও চেষ্টা করুন ওদের কোন খোঁজ পাওয়া যায় কিনা।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
