নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার গলাচিপা মেইন রোড থেকে গলাচিপা রেললাইন পর্যন্ত পাকা রাস্তাটির মাঝ খানে ড্রেনের ঢাকনা খুলে আছে, কিন্তু দীর্ঘদিন সেই ঢাকনা যেমন ছিল এখনো তেমই আছে, এই রাস্তায় খুলে থাকা ঢাকনার সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে রাস্তা। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ ও ভাঙা অংশে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শত শত যানবাহন এবং হাজারো মানুষ।
বর্ষা মৌসুমে স্রোতের তোড়ে রাস্তার একাংশ তলিয়ে যায়। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ চলাচল করে। ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে আসে। ড্রেনের ঢাকনা না থাকায় রাস্তায় অটোরিকশা, রিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অভিভাবকরাও শঙ্কায় থাকেন। ভ্যানচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় গাড়ি চলতে গেলে গর্তে পড়ে বিকল হয়ে যায়। যাত্রীদের নামিয়ে ঠেলে গাড়ি পার করতে হয়। যাত্রী হুজাইফা বলেন, এ রাস্তায় অটোতে উঠলে কলিজাটা কেঁপে ওঠে। গত ১২ ডিসেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনের ঢাকনা না থাকায় এবং ড্রেনের সংস্কার না করায় রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সেই গর্তে বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে যায়। তখন রাস্তাটি একদমই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। দ্রুত রাস্তার সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে রয়েছে ডা: বি, কে দাসের চেম্বার, প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী আসে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পরেন এই রাস্তায় চলাচলের সময়।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
