বন্দরে বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে দোয়া মাহফিলে যুবদল নেতার বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব আমিন আবাসিক এলাকার আল আমিন মসজিদের সামনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটি এ শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। এতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আমিন আবাসিক এলাকা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো.চান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দোয়া মাহফিলে এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।দোয়া অনুষ্ঠান শেষে ১০ ডেগ রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, আয়োজিত দোয়া মাহফিলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের স্মৃতিচারন করা হয়। একইসাথে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আল আমিন জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাওলানা শরিফুল ইসলাম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোয়া অনুষ্ঠান শেষে নেওয়াজ বিতরণের সময় স্থানীয় যুবদল নেতা হুমায়ুনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন যুবক এসে দোয়া মাহফিল বন্ধ করতে বলে এবং দোসর দোসর বলে চিৎকার করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা বেগম জিয়ার ছবি সম্বলিত শোক ব্যানার খুলতে বলে। তখন উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির চিত্র ধারণ করায় কথিত যুবদল নেতা হুমায়ুনের সঙ্গীয়রা এক সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে লাঞ্ছিত করে। পরে ওই সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ফেরত দেয়। পরে খবর পেয়ে বন্দর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। আমিন পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম জানান, বেগম খালেদা জিয়া সার্বজনীন নেত্রী। তার মৃত্যুতে সারাদেশের মানুষ গভীর শোকাহত। আপোষহীন নেত্রীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় এলাকাবাসী দোয়ার আয়োজন করে। কিন্তু যুবদল নেতা হুমায়ুনকে দাওয়াত না করায় সে লোকজন নিয়ে দোয়া অনুষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ বিষয়ে যুবদল নেতা হুমায়ুন জানান,ফ্যাসিবাদের দোসররা এসব আয়োজন করার মধ্য দিয়ে প্রয়াত নেত্রী কে অসন্মান করেছে। তাই প্রতিবাদ জানিয়েছি। জানতে চাইলে এসআই আরিফ পাঠান জানান, দোয়া অনুষ্ঠান কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
