নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে বিএনপির যেসব নেতারা নিজস্ব এলাকার ভোট ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক, সেইসব নেতাদের অবজ্ঞা করে ওয়ান ম্যান শো খ্যাত মহানগর বিএনপির দুই নেতার উপর ভর করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫(সদর-বন্দর) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও তার পুত্র মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। যাদের উপর ভর করেছেন তাদের একজন চাঁদপুর ও আরেকজন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা, নারায়ণগঞ্জের তাদের কোনো অস্তিত্ব নাই।
স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের মাঝপথ থেকেই কালাম ও পুত্র আশাকে জিম্মি করেছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। নগরীর প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্ব অনেকটা জোর করেই নিয়েছেন টিপু। কালামের দুইপাশে সাখাওয়াত ও টিপুকে ছাড়া জনপ্রিয় নেতাদের দেখা যায়নি কালামের দুই পাশে। অথচ চাঁদপুরের টিপু ও মুন্সীগঞ্জের সাখাওয়াতের উপর ভরসা করে নির্বাচনে ভোটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন কালাম ও আশা। পিতা পুত্রের অহংকারে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের জয় হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এসব কারনে নেতাকর্মীরা বলছেন- কালাম ও আশা এখন চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জের ভোটের উপর ভরসা করছেন। নারায়ণগঞ্জে বসবাসরত চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জের ভোটাররাও টিপু সাখাওয়াতের কথায় ভোট দিবেনা। নেতাকর্মীরা বলছেন, আতাউর রহমান মুকুল বন্দর উপজেলা পরিষদের একাধিকবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি কালামের চাচাতো ভাই। অথচ এই মুকুলকে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নামায়নি কালাম ও আশা। নিজ উদ্যোগে নামকাওয়াস্তে দুএকটি স্থানে মুকুলকে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করতে দেখা গেলেও সেটা নিছক অভিনয় মাত্র। অথচ বন্দর উপজেলার ভোটের বিরাট অংশের নিয়ন্ত্রক এই আতাউর রহমান মুকুল। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলরদের মধ্যে মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, শওকত হাশেম শকু, অহিদুল ইসলাম ছক্কু, সামসুজ্জোহা, এনায়েত হোসেন, জমসের আলী ঝন্টুর মত সাবেক অনেক জনপ্রতিনিধিদের কাছেও ডাকেনি আবুল কালাম ও আশা। খোরশেদ ২০১৮ সালে এই আসনে বিএনপির প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অথচ যেসব ব্যক্তিরা জনবিচ্ছিন্ন ও যাদের নিয়ন্ত্রণে ভোট নাই সেইসব ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পাড় হওয়ার চেষ্টা করছেন আবুল কালাম ও আশা। সাখাওয়াত ও টিপু সর্বসাকুল্যে ৫’শ ভোটের নিয়ন্ত্রকও নয় নারায়ণগঞ্জের এই আসনটিতে। অথচ সাখাওয়াত ও টিপুর উপর ভর করেছেন কালাম ও আশা। এরি মাঝে মিডিয়াতে গুজব রটেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন সাখাওয়াত ও টিপু।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
