নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। তারই অংশ হিসেবে ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বাকি ৪৩টি কেন্দ্রে স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের টাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করানোর অভিযোগ উঠেছে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে। সেই টাকা আদৌ পাবেন কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ইউএনও খাদিজা আক্তার।
সরকারি বরাদ্দ ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের। তবে স্কুল শিক্ষকদের টাকায় অতিরিক্ত ৪৩টি ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকরা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে ক্যামেরা স্থাপনে খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ১০ হাজার টাকা দেয়ার শর্তে উপজেলা কার্যালয়ে শিক্ষকদের ডাকেন ইউএনও। তবে ‘প্রাপ্তি স্বীকার’ রসিদে শিক্ষকদের দিয়ে সই করিয়ে টাকা না দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়েছে। ঋণের টাকায় ক্যামেরা লাগিয়েছেন শিক্ষকরা। এখন আদৌ টাকা পাবেন কিনা সেই শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, এই টাকা বিভিন্ন খাত থেকে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে। এদিকে এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি ইউএনও খাদিজা আক্তার।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
