ফাগুনের শুরুতেই ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমের গাছে গাছে দেখা দিয়েছে মুকুলের সমারোহ। উপজেলার গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে বাড়ির আঙিনা সবখানেই এখন আমের মুকুলের সুবাস ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃতির এই মনোরম দৃশ্য স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মনে জাগিয়েছে ভালো ফলনের আশা।
উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপায় চলতি মৌসুমে প্রায় কয়েকশ’ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমের চাষ রয়েছে। এর মধ্যে গোপালভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি জাতের আম বেশি দেখা যায়। অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে এবং ঘন কুয়াশা ও পোকার আক্রমণ কম হলে এবারও ভালো ফলন হতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পৌর এলাকার আমচাষি মোঃ সোলাইমান হোসেন বলেন, এবার গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। যদি অতিরিক্ত কুয়াশা না পড়ে এবং মোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, তাহলে গত বছরের মতো ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান বলেন, মুকুল আসার সময় ঘন কুয়াশা ও অতি বৃষ্টি হলে মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া হপার, মিলিবাগসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ ফলনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য চাষিদের নিয়মিত বাগান পরিচর্যা ও পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করা জরুরি। প্রতি বছর শৈলকুপার উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরেও সরবরাহ করা হয়। ফলে আম মৌসুমকে ঘিরে উপজেলা জুঁড়ে অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করি। ফাগুনের হাওয়ায় মুকুলে ছেয়ে যাওয়া শৈলকুপার আমগাছগুলো এখন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে এবারের মৌসুমে আমের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
