ঢাকারবিবার , ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আজ দেশজুড়ে
  4. আজকের সর্বশেষ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কৃষি সংবাদ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি-বাকরি
  11. ছড়া-কবিতা
  12. জাতীয়
  13. জীবনযাপন
  14. ঢাকা
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওসমানীয় দোসর তিন্নি এখন জেলা মহিলাদলের সহ-সভাপতি!

নিজস্ব সংবাদদাতা
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ ১০:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোছা. নুরুন্নাহার তিন্নি যিনি আওয়ামীলীগের শাসনামলে ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সর্ম্পৃক্ত। ২৪’র ৫ আগষ্টের পর তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রহিমা শরীফ মায়ার সংস্পর্শে এসে বনে যান জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি পদে। বিচিত্র এ রাজনীতিতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকা তিন্নি যেন মহিলা দলে আগমনটা যেন আরেক বিচিত্র ছায়া।
ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নুরুন্নাহার তিন্নি বিগত সময়ে আওয়ামী ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান ও অয়ন ওসমানের শশুর ফয়েজউদ্দিন আহমেদ লাভলুর সাথে বেশ সখ্যতা গড়ে তুলেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এ তিন্নি। আওয়ামীলীগের বিভিন্ন দলীয় প্রোগ্রামে তিন্নি ছিল সরব উপস্থিতি। জুলাই-আগষ্টের আন্দোলনের পর শামীম ওসমান-অয়ন ওসমান ও লাভলু পালিয়ে গেলেও পালাতে হয়নি নুর নাহার তিন্নিকে। জেলা মহিলা দলের সভাপতি রহিমা শরীফ মায়ার মায়াজালে সেই তিনি এখন জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি পদটি ভাগিয়ে নেন। সেই সুবাদে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সাথেও সখ্যতা গড়ে তুলে বিভিন্ন ছবি তুলে সে এখন নিজেকে বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা পরিচয়ে উঠে-পড়ে লেগেছেন। আর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা সেই তিন্নি এখন জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি এটা যেন মানতে নারাজ বিগত আওয়ামী শাসনামলে নির্যাতনের শিকার মহিলা দলের অনেক নেত্রীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক মহিলা নেত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নে আমরা ছিলাম অতিষ্ঠ। অথচ এ তিন্নিই সেই সময়ে ওসমানের পরিবারের সাথে রাজনীতিতে যুক্ত থেকে মাঠে-ময়দানে আমাদেরকে নির্যাতন করেছেন। অখচ আজ তিনি মুল দলের সহ-সভাপতি বনে গেছেন। সত্যিই আর্শ্চয্য যে, আমরা ত্যাগী নেত্রীরা সকল সময়েই বৈষম্যের শিকার হয়ে যাই উচ্চ আসীনে বসে থাকা নেতাদের অর্থলোভের কারনে। এদিকে দলছুট এ তিন্নিকে নাকি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের জিএস বানানোর সকল কিছু সম্পন্ন করেছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। এ নিয়ে আইন কলেজের সাধারন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকা প্রতিটি নেতাকর্মীর মাঝে দেখা দিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া। তারা অনেকে বলছেন,বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার পুরস্কার হিসেবে আমরা এটাই পাচ্ছি যে, হঠাৎ ছাত্রলীগ থেকে মহিলা দলে আসা নুরুন্নাহার তিন্নিকে আইন কলেজের জিএস হিসেবে আর্বিভাব হচ্ছে। সত্যিই বিচিত্র এ রাজনীতি যে রাজনীতিতে ত্যাগের কোন মুল্য নেই বললেই চলে। আমরা চাই দলছুট তিন্নিকে আইন কলেজের জিএস নয় জেলা মহিলা দল থেকেও বাদ বহিস্কারের দাবী জানচ্ছি। এ বিষয়ে ছাত্রলীগ থেকে আসা জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি বনে যাওয়া নুরুন্নাহার তিন্নির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাই আমার চৌদ্দগোষ্ঠী বিএনপি কওে আর আমি ছাত্রলীগ করতে যাবো এটা কিভাবে হয়। আমার সাথে যেই ছবিগুলো রয়েছে সেটা একটি দাওয়াতের ছবি। সানাউল্লাহ সানুর অফিসে যেই ছবিটা দেখা যাচ্ছে সেটা সর্ম্পকে তিনি বলেন,সানাউল্লাহ সানু আমার চাচা হয়। তিনি আরও বলেন,ভাই আমি বিএনপি করি এতে কি আপনার হিংসে হচ্ছে। জেলা মহিলা দলের সভাপতি রহিমা শরীফ মায়া বলেন, তিন্নি ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছে এমন একটা প্রমান আপনি দেন। তাছাড়া সেন্টু চেয়ারম্যান তো নৌকার রাজনীতি করেছেন তাকেও তো বিএনপিতে আনা হয়েছে। সাবেক একপি সিরাজ সাহেব এবং শাহ আলম কোন দলের রাজনীতি করতেন এবং গিয়াস সাহেব এমপি হওয়ার আগে কোন দল করেছেন সেটা তো আপনি জানেন। রাজনীতি করতে হলে এগুলো দেখভাল করা যায়না। কিছুদিন আগে তো আন্দোলনে কাউকে দেখা যায়নি কিন্তু এখন তো সবাই বিএনপির নেতা হয়ে গেছে সেটা দেখেন। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, তিন্নি কিভাবে মহিলা দলে আসলো সেটা ভাল বলতে পারবে মহিলা দলের সভাপতি। তাকে জিজ্ঞেস করলেই সবকিছু জানা যাবে। আর তিন্নিকে আইন কলেজের জিএস বানানো হবে এ কথা যে বলেছে তার কাছেই জানতে পারো যে এটা কতটুকু সত্য।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য।

এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: