১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আজ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। দুপুর ১২টায় ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল ওয়ারেছ আনসারীর নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গাজী মামুন, জাতীয় প্রেস কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুর রহমান পাভেল, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমা সুলতানা নীলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খায়রুল আলম, যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, দফতর সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রনি, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতা মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোজি আক্তার, পাথর আহমেদ,শাকিল হোসেন সহ ঢাকা জেলা ও মহানগর সহ যাত্রাবাড়ি, ডেমরা শাখার নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়,গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিক সমাজ এখনো যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১-৭ মে ১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে মৎস্য, কৃষি, শিক্ষা, পুলিশ, সেনা, আনসার, পুষ্টি ও চিকিৎসা সপ্তাহসহ নানা পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেই। এমনকি সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা বা নিজস্ব অধিদপ্তর না থাকায় পেশাজীবীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” থাকলেও তা বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হয় না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ হাত দোয়া, পা দোয়া দিবসও রাষ্ট্র আয়োজন করে। এ প্রেক্ষিতে, “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনার মাধ্যমে দেশের সাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাবে।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
