নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড এর গোদনাইল এলাকার ধনকুন্ডা চেয়ারম্যান অফিস সংলগ্ন জাহাঙ্গীর আলম এর স্ত্রী হাসিনা বেগম তার নিকটাত্মীয় শহীদ এর কন্যা সোনালী’র অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাঁধা দেয়ায় উল্টো সোনালী উত্তেজিত হয়ে আক্রোশ বসবর্তী হয়ে হাসিনাকে কেচি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেছে। এরপরও সে খ্যান্ত হয়নি বরং ঘটনাকে আড়াল করতে ও প্রতিশোধ নিতে সোনালী শ্লীলতাহানী ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে হাসিনার ছেলে আরমান সহ পরিবারের সবার বিরুদ্ধে মিথ্যে ঘটনার নাটক সাজিয়ে মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগে উঠে এসেছে ।
ভুক্তভোগী হাসিনা এ প্রতিবেদককে বলেন, সোনালী একজন উচ্চ বিলাসী অর্থলোভী পরপুরুষে আসক্ত এবং বাবা-মায়ের অবাধ্য বখে যাওয়া উশৃংখল স্বভাবের নারী। এ পর্যন্ত সে একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও কিছুদিন পর পর স্বামী ত্যাগ করে থাকে এবং পর পুরুষের সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরই সূত্র ধরে কিছু দিন আগে বরিশালের সোহেল নামে একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে যায় সোনালী। সেই ছেলে আমাদের বাড়ির সামনে এসে নিজেই নিজের হাত কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তখন আমি এবং এলাকার আরও কয়েকজন মিলে ছেলেটিকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেই। সোহেল এমন করার কারণ সম্পর্কে সোনালীকে জিজ্ঞেস করলে সে কোনো সঠিক উত্তর না দিয়ে উল্টো আমাকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। সেদিনই সোনালী রাতের আঁধারে পেট্রোল ঢেলে আমার ভাড়া বাড়িতে (রবিউলের বাড়িতে) আগুণ ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। তৎখনাৎ এলাকাবাসী এসে সে আগুন নিভায়। হাসিনা আরও বলেন, এ বিষয়ে সবার পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিতভাবে অভিযোগ করি। নিকট আত্মীয় হওয়ায় থানা থেকে বিষয়টি আমাদের পারিবারিকভাবে মিমাংসা করার জন্য বলে। কিন্তু গত ১৩ ডিসেম্বর সোনালী থানা থেকে এসে তাদের বাড়ির ছাদে আমার রোদে শুকাতে দেয়া কাপড় কেঁচি দিয়ে কাটতে থাকে, আমি ছাদে উঠে কাপড় আনতে গেলে সোনালী তার হাতে থাকা কেঁচি দিয়ে আমার মাথায় ও গালে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমার পরিবারের ও এলাকার লোকজন তার হাত থেকে রক্ষা করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় আমাকে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ করি যার মামলা নং- ২৮, তারিখ -১৬-১১-২০২৫। বর্তমানে আদালতে চলমান। তিনি বলেন, সোনালী আমার ও আমার পরিবারের প্রতি প্রতিশোধ নিতে ১৩ ডিসেম্বর তারিখের ঘটনা দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ একটি মামলা করে, যার মামলা নং- নারী ও শিশু সি.পি-৫১৫/২৫। সেখানে উল্লেখ করে আমার ছেলে আরমান তাকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। অথচ মামলায় উল্লেখিত দিন ও তারিখে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক। তার মামলাটি আদালত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পিবিআইএ তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। সোনালী একজন বখে যাওয়া উশৃংখল স্বভাবের নারী। সে সময় অসময়ে রাত দিন নেই বাইরে চলাচল করে। সে টিকটকার ও নাচনে আলি। তার এই কার্যকলাপে আমাদের পারিবারিক মানসম্মান নষ্ট হচ্ছে। এর জন্য আমি তার এ ধরনের কাজে বাঁধা নিষেধ করাতে আমাকে সহ আমার পরিবারের সবাইকে হেনস্থা করে চলছে। আমি ন্যায় বিচার চাই এবং সোনালীর উপযুক্ত শাস্তি চাই। এদিকে স্থানীয়দের ও প্রতক্ষ্যদর্শীদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, অভিযুক্ত সোনালী তার বাবাকেও লাঞ্ছিত করতে ছাড়েনি। সে কারও কোনো কথা শুনে না, বেয়াদব এবং তার মধ্যে কারও প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নেই। সে এবং তার মা অশ্লীলভাবে টিকটক ভিডিও তৈরি করে এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অশ্লীল নাচের ভঙ্গিমা দেখিয়ে বিভিন্ন পুরুষদের আকৃষ্ট করে। এলাকাবাসী দাবী জানান ভুক্তভোগী অসহায় হাসিনাকে মারধর ও পরিবার সহ তার বিরুদ্ধে করা মিথ্যে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধানের।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
