ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের উদ্দেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেছেন, পুরো জেলায় ১৮ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। সুযোগ না থাকলে লিখিতভাবে অভিযোগ করা যাবে।
আজ রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের দিনে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেওয়ার আগে তিনি এসব কথা বলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ জানাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশন কিংবা সংশ্লিষ্ট থানার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ তদন্ত ও বিচার করার জন্য একটি ইলেক্টোরাল কমিটি রয়েছে। এই কমিটিতে পাঁচজন সিভিল জজ বা যুগ্ম জেলা জজ পর্যায়ের কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচনী সমাবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, যিনি আগে আবেদন করবেন, তিনিই আগে স্থান বরাদ্দ পাবেন। যে স্থানের অনুমতি দেওয়া হবে, সেই স্থানেই জনসভা করতে হবে। গুজবে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। বস্তুনিষ্ঠ অভিযোগ যেখানে থাকবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পোস্টাল ব্যালট প্রসঙ্গে রায়হান কবির বলেন, পোস্টাল ব্যালটে দেওয়া ভোট নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে। বিকেল সাড়ে চারটায় এসব ভোট গণনা শুরু হবে। জেলার পাঁচটি আসনের জন্য পাঁচটি পৃথক কক্ষে ভোট গণনা করা হবে এবং প্রত্যেক আসনের জন্য একজন করে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবেন প্রার্থীরা। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে অবশ্যই প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে হবে। প্রার্থী ও অনুমোদিত এজেন্ট ছাড়া অতিরিক্ত কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। নির্বাচনী ব্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ফলাফল যাই হোক না কেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। তা না করলে নির্বাচন কমিশনের মামলা করার এখতিয়ার রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টার, ব্যানারসহ সব সামগ্রী ফল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে হবে। এই সময় পর্যন্ত আচরণবিধি কার্যকর থাকবে।
এসময় তিনি সকল প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান। প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনসহ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট ও নেতা-কর্মীরা।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
