ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন এমন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ তথ্য এখনো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সূত্রে নিশ্চিত হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা Fars News Agency এক প্রতিবেদনে জানায়, রাজধানী তেহেরান এর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় কমপ্লেক্সে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় ভোররাতে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে দেশজুড়ে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
খবরে দাবি করা হয়, হামলাটি ছিল সমন্বিত সামরিক অভিযান এবং এতে উন্নত নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের আগে রাজধানীর আকাশে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী, Islamic Revolutionary Guard Corps, ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে। সরকারি বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের তীর ছোড়া হয়েছে Israel ও United States-এর দিকে। তবে এই দুই দেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এ দাবি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা শুধু Iran-এর অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামোতেই নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর নিশ্চিতকরণ না আসা পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
