ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার মিঠাপুকুর গ্রামে ব্যতিক্রমি নকশার নির্মিত আধুনিক সৌন্দর্য্যে মনোমুগ্ধ কর মসজিদ। যা প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এটি কোন বিলাশ বহুল রাজ প্রাসাদ। চক চকে সাদা দেয়াল প্রবেশ পথে নকশা খচিত কাঁেচর দরজা। ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে ঝকঝকে নামাজের স্থান ও নরম কার্পেটের সাজঘর। কিন্তু সত্যটা জানলে বিস্মিত হবেন আপনিও। কারণ এটি কোন রাজ প্রাসাদ নয়, এটি একটি মসজিদ। মসজিদটির অবস্থান ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারো বাজার এলাকার মিঠা পুকুর গ্রামে। যার নাম হযরত আবুবকর সিদ্দিকী (রা:) জামে মসজিদ। এটি এখন শুধু ইবাদতের স্থান নয়, এটিহয়ে উঠেছে শিল্প, সৌন্দর্য ও প্রশান্তির এক মিলন মেলা। মসজিদটির ভেতরেঢুকলেই বোঝা যায় এর ব্যতিক্রমি নকশার মাহাত্ম্য। মেঝেতে রয়েছে উন্নত মানের চকচকে টাইলস। আর প্রতিটি পিলারে এমন সুক্ষ কারুকাজ, দেখে মনে হবে যেন শিল্পির হাতেগড়া জীবন্ত অলংকার। ২৫ শতক জমিতে নির্মিত এই মসজিদ একসাথে ১৫ থেকে ১৮শ’ মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারেন। আন্ডারগ্রাউন্ডেও রয়েছে নামাযের ব্যবস্থা। তবে এ মসজিদে নেই কোন দানবাক্স, বাইরে থেকে টাকা সংগ্রহের কোন সুযোগ। এমনকি মসজিদটি পরিচালনায় নেই কোন কমিটি। একক নেতৃত্বে চলছেমসজিদেরসকলকার্যক্রম। প্রতিদিনই জেলারবিভিন্ন স্থান থেকে মসজিদটি এক নজর দেখতে ও নামাজ পড়তে ভীড় করছেন অনেকে। মসজিদটির সৌন্দর্য্যে দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন তারা।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, এমন নান্দনিক ও পরিকল্পিত মসজিদ এলাকায় আগে দেখা যায়নি। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে শুধুএর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।
জানা গেছে, পাশ্ববর্তী যশোর জেলার আমেরিকা প্রবাসী মো. আব্দুল খালেক তার শ্বশুর মরহুম সিরাজুল ইসলামের জমিতে নিজ উদ্যোগে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার তত্ত্বাবধানে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠে এই ব্যতিক্রম ধর্মী স্থাপনা।
স্থানীয়দের মতে, এ মসজিদ এখন কালীগঞ্জের গর্ব, পাশাপাশি জেলার একটি নতুন দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।
ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে মসজিদ দেখতে যাওয়া আল-আমিন বলেন, ‘মসজিদটিতে দানবাক্স না থাকা ও বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহ নাকরার বিষয়টি খুব ভাল লেগেছে। এত সুন্দর মসজিদ আশপাশের এলাকায় নেই’।
মসজিদ দেখভালের দায়িত্বে থাকা শাহাবুল তরু বলেন, ‘পুরো রমজান মাসজুড়ে মসজিদে ইফতারির ব্যবস্থা রয়েছে। আমার দুলা ভাই আব্দুল খালেক, তার স্ত্রী সিরুতুননেছা আলপনা ও তার মেয়ে মারিয়া অঙ্কন পিতার অবর্তমানে মসজিদের সকল দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।’
উল্লেখ্য, শশুর মৃত. সিরাজুল ইসলামের জমিতে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন পাশ^বর্তী যশোর জেলার আমেরিকান প্রবাসী মোঃ আব্দুল খালেক। তার তত্বাবধানে তৈরি করা হয়েছে এই তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটি। যানির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।
এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
